২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে গোলের দেখা পেয়েছে স্পেন। নির্ধারিত ৯০ মিনিট গোলশূন্য থাকার পর অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধে ফেরান তোরেসের গোলে ১০ জনের আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে লা রোজা।
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল স্পেনের হাতে। বল দখল, আক্রমণ এবং সুযোগ সৃষ্টিতে একচেটিয়া আধিপত্য দেখালেও এমিলিয়ানো মার্টিনেজের দুর্দান্ত গোলরক্ষণে বারবার হতাশ হতে হয় স্প্যানিশদের।
ম্যাচের পঞ্চম মিনিটেই লামিন ইয়ামাল গোলের দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন। এরপর ওয়ারজাবাল, ফাবিয়ান রুইজ, দানি ওলমো, পেদ্রি, ফেরান তোরেস ও নিকো উইলিয়ামসের একের পর এক প্রচেষ্টা রুখে দেন আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক মার্টিনেজ।
অন্যদিকে পুরো ম্যাচজুড়েই আক্রমণে নিষ্প্রভ ছিল আর্জেন্টিনা। প্রথম ৭০ মিনিটে লক্ষ্যে একটি শটও নিতে পারেনি বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ইনজুরি সময়ে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এনজো ফার্নান্দেজ। ফলে অতিরিক্ত সময়ের শুরু থেকেই ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় লিওনেল স্কালোনির দলকে।
অতিরিক্ত সময়ের ৯৬তম মিনিটে প্রথমবার বল জালে পাঠায় স্পেন। নিকো উইলিয়ামস গোল করলেও ভিএআর পর্যালোচনার পর গোলটি বাতিল হয়। রিপ্লেতে দেখা যায়, গোল হওয়ার আগে মিকেল মেরিনো আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার নিকোলাস ওতামেন্দিকে ফাউল করেছিলেন। সেই কারণে রেফারি গোলের স্বীকৃতি দেননি।
তবে সেই হতাশা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি স্পেনের। ম্যাচের ১০৬তম মিনিটে নিকো উইলিয়ামসের দারুণ অ্যাসিস্ট থেকে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে পরাস্ত করেন ফেরান তোরেস। তার গোলেই অবশেষে বিশ্বকাপ ফাইনালের জট খুলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্পেন।
এখন ম্যাচের বাকি সময়ে একজন কম নিয়ে সমতায় ফেরার কঠিন চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড়িয়ে আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে বহু প্রতীক্ষিত বিশ্বকাপ শিরোপার আরও কাছাকাছি পৌঁছে গেছে স্পেন।









