পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা খাতে বরাদ্দের নতুন নীতিমালার তীব্র বিরোধিতা করেছে ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংক (ইউটিএল)। সংগঠনটির দাবি, গবেষণা তহবিলের নিয়ন্ত্রণ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-এর অধীনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন, গবেষণার স্বাধীনতা এবং শিক্ষকদের একাডেমিক বিকাশের পরিপন্থী।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ইউটিএলের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক ড. যুবাইর মুহাম্মদ এহসানুল হক ও সদস্য সচিব ড. মোহাম্মদ বিলাল হোসাইন-এর পক্ষে সংগঠনের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি ও প্রচার টিমের সদস্য ড. মুহাম্মদ শামসুজ্জামান রাজীব স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ উদ্বেগ জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সরকার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণা খাতে নিয়মিত বরাদ্দ দিয়ে আসছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজস্ব একাডেমিক প্রয়োজন ও বাস্তবতা অনুযায়ী সেই অর্থ বণ্টন করে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।
তবে ২০২৬–২০২৭ অর্থবছর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা খাতের নিয়মিত বরাদ্দ শূন্য করে তহবিলের নিয়ন্ত্রণ ইউজিসির অধীনে নেওয়ার সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউটিএল।
সংগঠনটির মতে, কেন্দ্রীয়ভাবে গবেষণা তহবিল নিয়ন্ত্রণ করা হলে প্রশাসনিক জটিলতা, দীর্ঘসূত্রিতা ও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হবে। এতে গবেষণার গতি ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক গবেষণা কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। তাই গবেষণা খাতের বরাদ্দ সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছেই ফিরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
একই সঙ্গে ইউটিএল হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, গবেষণা বরাদ্দের ওপর কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না হলে শিক্ষকসমাজ নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে।









