চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড ছাড়া দেশের বাকি সব শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। তবে জলাবদ্ধতা ও পাহাড়ধসের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন ১৩, ১৫ ও ১৬ জুলাইয়ের স্থগিত পরীক্ষাগুলো পরবর্তীতে নেওয়া হবে।
রোববার (১৩ জুলাই) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে শুধু চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন পরীক্ষাগুলো স্থগিত করা হয়েছে। দেশের অন্য সব শিক্ষা বোর্ডে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা চলবে।
গত ২ জুলাই সকাল ১০টায় সারা দেশে একযোগে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়।
এবার দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ শিক্ষার্থীর পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। তবে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৬ শতাংশ পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন বলে জানিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।
এবার মোট ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সব পরীক্ষাকেন্দ্রকে সিসিটিভি নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। পাশাপাশি এবারই প্রথম কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ কর্মকর্তাদের বডি-ওয়ার্ন ক্যামেরা ব্যবহারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
নকল প্রতিরোধে প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এসব ক্যামেরার মাধ্যমে সারাদেশের কেন্দ্রগুলো পর্যবেক্ষণের জন্য একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেলও গঠন করা হয়েছে।
সূচি অনুযায়ী, সাধারণ ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা আগামী ৮ আগস্ট শেষ হবে। এরপর ১৫ আগস্ট পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
অন্যদিকে, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এইচএসসি (ভোকেশনাল) তাত্ত্বিক পরীক্ষা ২৫ জুলাই, বিএমটির তাত্ত্বিক পরীক্ষা ১ আগস্ট এবং ডিপ্লোমা ইন কমার্সের তাত্ত্বিক পরীক্ষা ২২ জুলাই পর্যন্ত চলবে।
এ বছর সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষার্থী ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৯২ হাজার ৯০৫ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি (ভোকেশনাল), বিএমটি ও ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৪ জন শিক্ষার্থী।









