সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে আধিপত্য বজায় রেখেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তার দল। একই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে তাদের তোপের মুখে ফেলছে তরুণ প্রজন্ম (জেন-জি)। প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে দিল্লির যন্তর মন্তরে ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বর্তমানে উত্তাল পুরো ভারতের ইন্টারনেট দুনিয়া।
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর গত সোমবার (২০ জুলাই) পুলিশ লাঠিচার্জ ও টিয়ার গ্যাস প্রয়োগ করে। পুলিশ এই সহিংস আচরণের কথা অস্বীকার করলেও, শিক্ষার্থীরা নিজেদের ফোনে ধারণ করা ঘটনার ভিডিও, মিম ও ব্যঙ্গচিত্র দিয়ে সোশাল মিডিয়া ভরিয়ে দিয়েছে। এসব ভিডিও এখন সারা দেশে প্রতিবাদের আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে।
‘ককরোচ জনতা পার্টি’ নামের প্রেশার গ্রুপের ব্যানারে ক্ষুব্ধ তরুণেরা এই আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। মূলধারার মিডিয়া যখন বিষয়টি এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছে, তখন সাধারণ শিক্ষার্থীরা কৌতুক, মিম ও ট্রেন্ডিং ভিডিওর মাধ্যমে কোটি কোটি মানুষের কাছে সরকারের বিরুদ্ধে নিজেদের ক্ষোভ পৌঁছে দিচ্ছে।
সামাজিক মাধ্যমে তরুণদের এই অভূতপূর্ব প্রতিবাদের মুখে শেষ পর্যন্ত এক্স-এ (সাবেক টুইটার) প্রতিক্রিয়া জানাতে বাধ্য হয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষার আশ্বাস দিলেও, আন্দোলনকারীরা মোদির বক্তব্যকেও সোশাল মিডিয়ায় রসিকতা ও ব্যাঙ্গের পাত্র বানিয়ে ছেড়েছে। যে অস্ত্র দিয়ে এতদিন রাজনীতি সামলেছে শাসকদল, সেই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেই এখন তীব্র চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে তারা।









