বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে দ্বিতীয়ার্ধে গোল হজম করে চাপে পড়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। আটলান্টায় অনুষ্ঠিত ম্যাচের ৫৫তম মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে। তবে প্রথম বড় সুযোগ তৈরি করেছিল আর্জেন্টিনা। গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজের লম্বা পাস থেকে ডান দিক দিয়ে আক্রমণে উঠে লিওনেল মেসি ও হুলিয়ান আলভারেজ দারুণ বোঝাপড়ায় ইংল্যান্ডের রক্ষণ ভাঙেন। আলভারেজের শক্তিশালী শট অসাধারণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড। ফিরতি বল জালে না জড়ালেও ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে কর্নার আদায় করে নেয় আর্জেন্টিনা।
এরপরই পাল্টা আক্রমণে সাফল্য পায় ইংল্যান্ড।
৫৫তম মিনিটে হ্যারি কেইনের আক্রমণ গড়ে দেওয়ার পর লিসান্দ্রো মার্টিনেজ বল ক্লিয়ার করলেও তা গিয়ে পড়ে ডেক্লান রাইসের কাছে। রাইস দারুণ একটি পাস দেন মরগান রজার্সকে। তার নিখুঁত ক্রস ব্যাকপোস্টে পেয়ে নাহুয়েল মলিনাকে পেছনে ফেলে অ্যান্থনি গর্ডন বল জালে জড়িয়ে দেন। এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে পরাস্ত করে ইংল্যান্ডকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন এই উইঙ্গার।
এর আগে প্রথমার্ধে দুই দলই গোলের তেমন কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। লিওনেল মেসি, হ্যারি কেইন কিংবা অন্য কোনো ফরোয়ার্ড লক্ষ্যে শট রাখতে পারেননি। আক্রমণের চেয়ে মাঝমাঠে শারীরিক লড়াই ও ফাউলের সংখ্যাই ছিল বেশি।
প্রথম ৪৫ মিনিটে মোট ১৯টি ফাউল হয়। এর মধ্যে আর্জেন্টিনা করে ১২টি এবং ইংল্যান্ড ৭টি। রেফারি ইসমাইল দুটি হলুদ কার্ড দেখান—একটি ইংল্যান্ডের এলিয়ট অ্যান্ডারসন এবং অন্যটি আর্জেন্টিনার লিসান্দ্রো মার্টিনেজকে।
বল দখলে ৫৮ শতাংশ সময় এগিয়ে ছিল আর্জেন্টিনা। তবে সেই আধিপত্য কাজে লাগিয়ে গোলের দেখা পায়নি লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা।
দ্বিতীয়ার্ধে গর্ডনের গোলে পিছিয়ে পড়ার পর সমতায় ফেরার লক্ষ্যে আক্রমণের তীব্রতা বাড়িয়েছে আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে, এক গোলের লিড ধরে রেখে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে মরিয়া ইংল্যান্ড।









